আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা ৫ দিনের ছুটির একটি বিশেষ সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের কারণে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি শুক্রবার ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে এই দীর্ঘ অবকাশের পথ প্রশস্ত হয়েছে। সরকারি ক্যালেন্ডার ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এই ছুটির সমীকরণটি কাজ করছে:১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার): এই দিনটি মূলত শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য বিশেষ ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে অনেক সরকারি দপ্তরে ঐচ্ছিক ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে এই দিনটিও অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার): নির্বাচনের আগের দিন হিসেবে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি।১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার): ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিন, যা সারা দেশে সাধারণ ছুটি।১৩ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার): সাপ্তাহিক ছুটি।১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার): সাপ্তাহিক ছুটি।অর্থাৎ, বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত টানা ৪ দিনের নিশ্চিত ছুটি থাকছে। আর যারা মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কোনোভাবে ছুটি ম্যানেজ করতে পারবেন, তাদের জন্য এটি টানা ৫ দিনের একটি বড় অবকাশে পরিণত হবে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। এই ছুটি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে।জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান যেমন—হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস এবং ফায়ার সার্ভিস এই ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া যারা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের জন্য এই ছুটি কার্যকর হবে না। তবে সাধারণ কর্মজীবী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য এটি পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর বা নিজ এলাকায় গিয়ে ভোট দেওয়ার এক সুবর্ণ সুযোগ