সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আগামীর পথচলা নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনার বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত হলে সবার আগে কোন কাজটিতে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন, সে বিষয়ে তিনি একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছেন। তার বক্তব্যে আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠন এবং জনস্বার্থ রক্ষার বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে এসেছে।
শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, যেকোনো গুরুদায়িত্ব পাওয়ার পর তার প্রথম ও প্রধান কাজ হবে সমাজে ন্যায়বিচার (ইনসাফ) নিশ্চিত করা। তিনি মনে করেন, একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয় যখন তার নাগরিকরা বৈষম্যহীন পরিবেশে সুশাসন ভোগ করতে পারে। বিগত সময়ে সাধারণ মানুষ যে আইনি ও সামাজিক বঞ্চনার শিকার হয়েছে, তা নিরসন করাই হবে তার মূল লক্ষ্য।
দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূর করাকে তিনি অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, দায়িত্ব পেলে কৃষি ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বিশেষ করে শিক্ষিত যুবসমাজের মেধা যেন দেশ গঠনে কাজে লাগে, সেই পরিবেশ তৈরি করা হবে তার প্রাথমিক তালিকার শীর্ষে।
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাকে তিনি একটি বড় অঙ্গীকার হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলাই হবে তার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার প্রথম ধাপ।
জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে তিনি রাষ্ট্রের অপরিহার্য কর্তব্য বলে মনে করেন। তিনি বলেন, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা হবে যেখানে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারবে এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এ ধরণের ইতিবাচক ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি শুভ সংকেত। মানুষ এখন কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, বরং উন্নয়ন ও শান্তির বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চায়।
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও আগামীর পথচলা নিয়ে নিজের ভাবনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রাষ্ট্র পরিচালনার বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত হলে সবার আগে কোন কাজটিতে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবেন, সে বিষয়ে তিনি একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছেন। তার বক্তব্যে আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠন এবং জনস্বার্থ রক্ষার বিষয়টি জোরালোভাবে উঠে এসেছে।
শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, যেকোনো গুরুদায়িত্ব পাওয়ার পর তার প্রথম ও প্রধান কাজ হবে সমাজে ন্যায়বিচার (ইনসাফ) নিশ্চিত করা। তিনি মনে করেন, একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয় যখন তার নাগরিকরা বৈষম্যহীন পরিবেশে সুশাসন ভোগ করতে পারে। বিগত সময়ে সাধারণ মানুষ যে আইনি ও সামাজিক বঞ্চনার শিকার হয়েছে, তা নিরসন করাই হবে তার মূল লক্ষ্য।
দেশের তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূর করাকে তিনি অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, দায়িত্ব পেলে কৃষি ও শিল্প খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বিশেষ করে শিক্ষিত যুবসমাজের মেধা যেন দেশ গঠনে কাজে লাগে, সেই পরিবেশ তৈরি করা হবে তার প্রাথমিক তালিকার শীর্ষে।
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাকে তিনি একটি বড় অঙ্গীকার হিসেবে দেখছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ এবং রাষ্ট্রীয় কোষাগারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলাই হবে তার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার প্রথম ধাপ।
জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে তিনি রাষ্ট্রের অপরিহার্য কর্তব্য বলে মনে করেন। তিনি বলেন, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা হবে যেখানে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারবে এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের এ ধরণের ইতিবাচক ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি শুভ সংকেত। মানুষ এখন কেবল প্রতিশ্রুতি নয়, বরং উন্নয়ন ও শান্তির বাস্তব প্রতিফলন দেখতে চায়।
আপনার মতামত লিখুন