দৈনিক গণজাগরণ

নির্দিষ্ট কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতা ও ভূমিকা নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর কঠোর বার্তা



নির্দিষ্ট কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতা ও ভূমিকা নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর কঠোর বার্তা
সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ দেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিকতা ও ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। আজ এক জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সময় টিভি, একাত্তর টিভি এবং ডিবিসি নিউজের নাম উল্লেখ করে তাদের সংবাদ প্রচারের ধরণ ও নীতিমালার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জনাকীর্ণ সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন যে, উল্লেখিত সংবাদমাধ্যমগুলো বিভিন্ন সময়ে জনগণের প্রকৃত দাবির পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, কিন্তু যখন কোনো মিডিয়া হাউজ নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকে, তখন তা জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল।

তিনি বিশেষ করে সময়, একাত্তর ও ডিবিসি নিউজের বিগত দিনের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তী সময়ে এই চ্যানেলগুলোর সংবাদ পরিবেশন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ রয়েছে। তিনি এসব সংবাদমাধ্যমকে হলুদ সাংবাদিকতা পরিহার করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানান। অন্যথায় জনগণ তাদের বর্জন করবে বলেও তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত জনতা স্লোগান দিয়ে তাকে সমর্থন জানান। সমাবেশে উপস্থিত অনেকেই মন্তব্য করেন যে, গণমাধ্যমকে অবশ্যই নিরপেক্ষ হতে হবে এবং শাসকের তোষামোদ না করে জনগণের কথা বলতে হবে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য গণমাধ্যমের জন্য একটি সতর্কবার্তা। সংবাদমাধ্যমগুলোর উচিত নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক গণজাগরণ

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬


নির্দিষ্ট কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বস্তুনিষ্ঠতা ও ভূমিকা নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর কঠোর বার্তা

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ দেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশনের সাংবাদিকতা ও ভূমিকা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। আজ এক জনসমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি সময় টিভি, একাত্তর টিভি এবং ডিবিসি নিউজের নাম উল্লেখ করে তাদের সংবাদ প্রচারের ধরণ ও নীতিমালার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

জনাকীর্ণ সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন যে, উল্লেখিত সংবাদমাধ্যমগুলো বিভিন্ন সময়ে জনগণের প্রকৃত দাবির পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ, কিন্তু যখন কোনো মিডিয়া হাউজ নির্দিষ্ট কোনো এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত থাকে, তখন তা জনগণের সাথে প্রতারণার শামিল।

তিনি বিশেষ করে সময়, একাত্তর ও ডিবিসি নিউজের বিগত দিনের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় এবং পরবর্তী সময়ে এই চ্যানেলগুলোর সংবাদ পরিবেশন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ রয়েছে। তিনি এসব সংবাদমাধ্যমকে হলুদ সাংবাদিকতা পরিহার করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানান। অন্যথায় জনগণ তাদের বর্জন করবে বলেও তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত জনতা স্লোগান দিয়ে তাকে সমর্থন জানান। সমাবেশে উপস্থিত অনেকেই মন্তব্য করেন যে, গণমাধ্যমকে অবশ্যই নিরপেক্ষ হতে হবে এবং শাসকের তোষামোদ না করে জনগণের কথা বলতে হবে।

গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাসনাত আব্দুল্লাহর এই বক্তব্য গণমাধ্যমের জন্য একটি সতর্কবার্তা। সংবাদমাধ্যমগুলোর উচিত নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা।


দৈনিক গণজাগরণ

সম্পাদক ও প্রকাশক- তপন রায় , প্রধান নির্বাহী সম্পাদক : আরমান ইসলাম , বার্তা সম্পাদক : বিধান রায়
দৈনিক গণজাগরণ