আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাকার অবৈধ ব্যবহার রোধ এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ এক রাজনৈতিক কর্মীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শরীয়তপুর জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন হিসেবে এক ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া এত বিপুল পরিমাণ অর্থ বহন করা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী। অবৈধভাবে অর্থ বহনের দায়ে এবং নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। ঘটনাস্থলেই এই রায় ঘোষণা করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাব খাটিয়ে কেউ যেন ভোটাধিকার বা নির্বাচনী পরিবেশ প্রভাবিত করতে না পারে, সে জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়—এই বার্তাই নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এলাকাবাসী প্রশাসনের এই তৎপড়তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের পদক্ষেপ একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাকার অবৈধ ব্যবহার রোধ এবং সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শরীয়তপুরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ এক রাজনৈতিক কর্মীকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শরীয়তপুর জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল ও তল্লাশি কার্যক্রম চলাকালে এই ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন হিসেবে এক ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে নগদ ৭ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া এত বিপুল পরিমাণ অর্থ বহন করা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মী। অবৈধভাবে অর্থ বহনের দায়ে এবং নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে। ঘটনাস্থলেই এই রায় ঘোষণা করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনে কালো টাকার প্রভাব খাটিয়ে কেউ যেন ভোটাধিকার বা নির্বাচনী পরিবেশ প্রভাবিত করতে না পারে, সে জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়—এই বার্তাই নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এলাকাবাসী প্রশাসনের এই তৎপড়তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরনের পদক্ষেপ একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

আপনার মতামত লিখুন