বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছে, চোখে আগের মতো দীপ্তি নেই, তবুও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ এতটুকু কমেনি। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়েও গণতন্ত্রের উৎসবে শরিক হতে পিছপা হননি ১১০ বছর বয়সী এক প্রবীণ ভোটার। শারীরিক অক্ষমতাকে হার মানিয়ে, অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে তিনি এসেছেন নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এবং নিজের প্রত্যাশার কথা জানাতে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), নির্বাচনী আমেজের মধ্যে এই বিরল দৃশ্যটি সবার নজর কাড়ে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই বৃদ্ধের কন্ঠে ছিল কেবল একটাই আকুতি—দেশের মানুষের শান্তি ও স্বস্তি।
গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এই প্রবীণ ভোটার তার অভিজ্ঞলব্ধ জীবনের নিরিখে আগামীর নেতৃত্বের কাছে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “ক্ষমতায় যেই আসুক, আমার চাওয়া খুব সামান্য। আমি এমন একজন শাসক চাই, যিনি দেশের মানুষকে স্বস্তি দিতে পারবেন।”
তার এই সংক্ষিপ্ত উক্তির মাঝে লুকিয়ে আছে গভীর তাৎপর্য। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সামাজিক নিরাপত্তা বা নাগরিক জীবনের নানা ভোগান্তি থেকে মুক্তি—সাধারণ মানুষের এই চিরকালীন চাহিদাই যেন ফুটে উঠেছে তার বক্তব্যে। তিনি এমন এক নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখেন, যিনি কেবল ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, বরং জনগনের সেবক হিসেবে তাদের কষ্ট লাঘবে কাজ করবেন।
ছবিতে দেখা যায়, সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত এবং সাদা দাড়িবিশিষ্ট এই বৃদ্ধকে পরম মমতায় ধরে নিয়ে যাচ্ছেন এক যুবক। এই দৃশ্যটি প্রজন্মের মেলবন্ধনের এক অনন্য উদাহরণ। যেখানে এক প্রজন্ম অন্য প্রজন্মকে পথ চলতে সাহায্য করছে। ১১০ বছর বয়সেও ভোটকেন্দ্রে বা জনসম্মুখে তার উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, নাগরিক অধিকার ও দেশের ভালোমন্দের প্রশ্নে তিনি কতটা সচেতন।
উপস্থিত জনতা এবং স্থানীয়রা তার এই মানসিক শক্তির প্রশংসা করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, যেখানে সামান্য অজুহাতে মানুষ নাগরিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়, সেখানে এই বয়সেও তার এমন আগ্রহ তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
শতবর্ষী এই বৃদ্ধের চাওয়া কোনো ব্যক্তিগত চাওয়া নয়, এটি সমগ্র দেশবাসীর মনের কথা। একটি সুস্থ, সুন্দর ও স্বস্তিদায়ক সমাজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সঠিক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। জীবনের শেষ সময়ে এসেও তিনি দেশের মঙ্গলের জন্য যে বার্তা দিয়ে গেলেন, তা আগামীর নীতিনির্ধারকদের জন্য এক বড় বার্তা হয়ে থাকবে।
দৈনিক গণজাগরন - সব সময় সত্যের সন্ধানে।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছে, চোখে আগের মতো দীপ্তি নেই, তবুও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ এতটুকু কমেনি। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়েও গণতন্ত্রের উৎসবে শরিক হতে পিছপা হননি ১১০ বছর বয়সী এক প্রবীণ ভোটার। শারীরিক অক্ষমতাকে হার মানিয়ে, অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে তিনি এসেছেন নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে এবং নিজের প্রত্যাশার কথা জানাতে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), নির্বাচনী আমেজের মধ্যে এই বিরল দৃশ্যটি সবার নজর কাড়ে। বয়সের ভারে ন্যুব্জ এই বৃদ্ধের কন্ঠে ছিল কেবল একটাই আকুতি—দেশের মানুষের শান্তি ও স্বস্তি।
গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এই প্রবীণ ভোটার তার অভিজ্ঞলব্ধ জীবনের নিরিখে আগামীর নেতৃত্বের কাছে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “ক্ষমতায় যেই আসুক, আমার চাওয়া খুব সামান্য। আমি এমন একজন শাসক চাই, যিনি দেশের মানুষকে স্বস্তি দিতে পারবেন।”
তার এই সংক্ষিপ্ত উক্তির মাঝে লুকিয়ে আছে গভীর তাৎপর্য। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সামাজিক নিরাপত্তা বা নাগরিক জীবনের নানা ভোগান্তি থেকে মুক্তি—সাধারণ মানুষের এই চিরকালীন চাহিদাই যেন ফুটে উঠেছে তার বক্তব্যে। তিনি এমন এক নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখেন, যিনি কেবল ক্ষমতার দাপট দেখাবেন না, বরং জনগনের সেবক হিসেবে তাদের কষ্ট লাঘবে কাজ করবেন।
ছবিতে দেখা যায়, সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত এবং সাদা দাড়িবিশিষ্ট এই বৃদ্ধকে পরম মমতায় ধরে নিয়ে যাচ্ছেন এক যুবক। এই দৃশ্যটি প্রজন্মের মেলবন্ধনের এক অনন্য উদাহরণ। যেখানে এক প্রজন্ম অন্য প্রজন্মকে পথ চলতে সাহায্য করছে। ১১০ বছর বয়সেও ভোটকেন্দ্রে বা জনসম্মুখে তার উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, নাগরিক অধিকার ও দেশের ভালোমন্দের প্রশ্নে তিনি কতটা সচেতন।
উপস্থিত জনতা এবং স্থানীয়রা তার এই মানসিক শক্তির প্রশংসা করেছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, যেখানে সামান্য অজুহাতে মানুষ নাগরিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়, সেখানে এই বয়সেও তার এমন আগ্রহ তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।
শতবর্ষী এই বৃদ্ধের চাওয়া কোনো ব্যক্তিগত চাওয়া নয়, এটি সমগ্র দেশবাসীর মনের কথা। একটি সুস্থ, সুন্দর ও স্বস্তিদায়ক সমাজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সঠিক নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। জীবনের শেষ সময়ে এসেও তিনি দেশের মঙ্গলের জন্য যে বার্তা দিয়ে গেলেন, তা আগামীর নীতিনির্ধারকদের জন্য এক বড় বার্তা হয়ে থাকবে।
দৈনিক গণজাগরন - সব সময় সত্যের সন্ধানে।

আপনার মতামত লিখুন