নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূলভিত্তি কী হতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান হবে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং নিজ দেশের স্বার্থকেন্দ্রিক। 'সবার আগে বাংলাদেশ'—এই নীতি ধারণ করেই এখন থেকে বহির্বিশ্বের সাথে সম্পর্ক পরিচালিত হবে।
সম্প্রতি দেশের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়টিও বাস্তবতার নিরিখে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে ড. খলিলুর রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, "দেশের স্বার্থ বজায় রেখে ভারতসহ সব দেশের সাথেই সম্পর্ক রাখবে বাংলাদেশ।" তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে এটি সুস্পষ্ট যে, নতুন সরকার কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্র বা বলয়ের দিকে একপাক্ষিকভাবে না ঝুঁকে বরং নিজেদের জাতীয়, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাই হবে বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী এবং অন্যতম প্রধান উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক অংশীদার। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি অন্যান্য বৈশ্বিক পরাশক্তি এবং বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সাথেও সমানতালে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার যে সুস্পষ্ট বার্তা তিনি দিয়েছেন, তা মূলত একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও স্বাধীন কূটনীতিরই ইঙ্গিত দেয়।
সব মিলিয়ে, পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে পরিচালিত এই 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতি দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সাথে দারুণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির মূলভিত্তি কী হতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান হবে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং নিজ দেশের স্বার্থকেন্দ্রিক। 'সবার আগে বাংলাদেশ'—এই নীতি ধারণ করেই এখন থেকে বহির্বিশ্বের সাথে সম্পর্ক পরিচালিত হবে।
সম্প্রতি দেশের ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক রূপরেখা তুলে ধরতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে সম্পর্কের বিষয়টিও বাস্তবতার নিরিখে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে ড. খলিলুর রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, "দেশের স্বার্থ বজায় রেখে ভারতসহ সব দেশের সাথেই সম্পর্ক রাখবে বাংলাদেশ।" তার এই বক্তব্যের মাধ্যমে এটি সুস্পষ্ট যে, নতুন সরকার কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্র বা বলয়ের দিকে একপাক্ষিকভাবে না ঝুঁকে বরং নিজেদের জাতীয়, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করাই হবে বর্তমান পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী এবং অন্যতম প্রধান উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক অংশীদার। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি অন্যান্য বৈশ্বিক পরাশক্তি এবং বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর সাথেও সমানতালে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার যে সুস্পষ্ট বার্তা তিনি দিয়েছেন, তা মূলত একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও স্বাধীন কূটনীতিরই ইঙ্গিত দেয়।
সব মিলিয়ে, পারস্পরিক সম্মান, সমতা এবং নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে পরিচালিত এই 'সবার আগে বাংলাদেশ' নীতি দেশের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সাথে দারুণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

আপনার মতামত লিখুন