গাজীপুরের টঙ্গীতে বাড়ির সামনে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইউসুফ (১৯) নামে এক যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী। গত ১২ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) রাতে টঙ্গী পূর্ব থানার আড়িচপুর এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। আহত যুবক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা নুর জাহান বেগম (৬৩) বাদী হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করেছেন।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রাব্বি (১৮), টেকনাফ (২২) ও ছায়েম (২০) সহ তাদের সহযোগীরা এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী এবং মাদক কারবারি। তারা প্রায়ই আড়িচপুর এলাকায় নুর জাহান বেগমের বাড়ির সামনে মাদক বিক্রি করত। নুর জাহান বেগম একাধিকবার তাদের এই অবৈধ কাজে বাধা প্রদান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে নুর জাহান বেগমের ছেলে ইউসুফ মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বাসায় ফিরছিলেন। বাসার ঠিক সামনে পৌঁছাতেই অভিযুক্তরা এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন সন্ত্রাসী তাকে ঘিরে ধরে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। ইউসুফ বাধা দিলে তারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে তার বাম হাতে, পিঠে এবং বাম পায়ে মারাত্মক রক্তক্ষরণ ও গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে ইউসুফ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তার সাথে থাকা একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় আশপাশের দোকানদার ও পথচারীরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পরবর্তীতে সুযোগ পেলে তাদের খুন করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় ইউসুফকে উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সর্বশেষ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করে জানায়, এই বর্বরোচিত ঘটনার পর অভিযুক্তরা তাদের বাসার সামনে একটি চিরকুট রেখে যায়। সেখানে হুমকি দিয়ে বলা হয়, তারা যদি আইনের আশ্রয় নেয় তবে তাদের প্রাণে মেরে ফেলা হবে এবং মাদক ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
ছেলের চিকিৎসা নিয়ে চরম ব্যস্ততা ও উদ্বেগের কারণে থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযোগ জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করেন ভুক্তভোগীর মা নুর জাহান বেগম। তিনি এই বর্বরোচিত হামলার সুষ্ঠু বিচার, পরিবারের নিরাপত্তা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও আইনি সহায়তা কামনা করেছেন।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে বাড়ির সামনে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ইউসুফ (১৯) নামে এক যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী। গত ১২ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) রাতে টঙ্গী পূর্ব থানার আড়িচপুর এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। আহত যুবক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা নুর জাহান বেগম (৬৩) বাদী হয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করেছেন।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রাব্বি (১৮), টেকনাফ (২২) ও ছায়েম (২০) সহ তাদের সহযোগীরা এলাকার চিহ্নিত ছিনতাইকারী এবং মাদক কারবারি। তারা প্রায়ই আড়িচপুর এলাকায় নুর জাহান বেগমের বাড়ির সামনে মাদক বিক্রি করত। নুর জাহান বেগম একাধিকবার তাদের এই অবৈধ কাজে বাধা প্রদান করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে নুর জাহান বেগমের ছেলে ইউসুফ মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বাসায় ফিরছিলেন। বাসার ঠিক সামনে পৌঁছাতেই অভিযুক্তরা এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন সন্ত্রাসী তাকে ঘিরে ধরে ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। ইউসুফ বাধা দিলে তারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে তার বাম হাতে, পিঠে এবং বাম পায়ে মারাত্মক রক্তক্ষরণ ও গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে ইউসুফ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা তার সাথে থাকা একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় আশপাশের দোকানদার ও পথচারীরা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পরবর্তীতে সুযোগ পেলে তাদের খুন করার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় রক্তাক্ত অবস্থায় ইউসুফকে উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সর্বশেষ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে।
ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করে জানায়, এই বর্বরোচিত ঘটনার পর অভিযুক্তরা তাদের বাসার সামনে একটি চিরকুট রেখে যায়। সেখানে হুমকি দিয়ে বলা হয়, তারা যদি আইনের আশ্রয় নেয় তবে তাদের প্রাণে মেরে ফেলা হবে এবং মাদক ও অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
ছেলের চিকিৎসা নিয়ে চরম ব্যস্ততা ও উদ্বেগের কারণে থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযোগ জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করেন ভুক্তভোগীর মা নুর জাহান বেগম। তিনি এই বর্বরোচিত হামলার সুষ্ঠু বিচার, পরিবারের নিরাপত্তা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও আইনি সহায়তা কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন