যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের শুরু করা প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) এক বাংলাদেশিসহ অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫৮ জন। দৈনিক গণজাগরন-এর অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নিহত যুবকের নাম সালেহ আহমেদ। তার গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা এলাকায়। দেশে তার মা, স্ত্রী এবং চার সন্তান রয়েছে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে ছিলেন এবং বর্তমানে আরব আমিরাতের আজমান প্রদেশে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর সালেহ আহমেদ এক সহকর্মীর সঙ্গে জরুরি খাদ্য সরবরাহের কাজে বের হন। এ সময় হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায় এবং বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে রোববার (১ মার্চ) সকালে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলে ধরেছে। আমিরাত কর্তৃপক্ষের দাবি, ইরান থেকে অন্তত ১৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৪১টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এর মধ্যে ১৫২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫০৬টি ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। কিছু মিসাইল সাগরে গিয়ে পড়েছে। যে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আমিরাতের ভূখণ্ডে আঘাত হেনেছে, তাতেই হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। নিহত অপর দুই ব্যক্তি পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিক। আহত ৫৮ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন। মূলত ওই হত্যাকাণ্ডের কড়া জবাব দিতেই ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত মার্কিন মিত্র দেশ ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই নজিরবিহীন প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলার পাল্টা জবাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের শুরু করা প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) এক বাংলাদেশিসহ অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫৮ জন। দৈনিক গণজাগরন-এর অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নিহত যুবকের নাম সালেহ আহমেদ। তার গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার গাজিটেকা এলাকায়। দেশে তার মা, স্ত্রী এবং চার সন্তান রয়েছে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে ছিলেন এবং বর্তমানে আরব আমিরাতের আজমান প্রদেশে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর সালেহ আহমেদ এক সহকর্মীর সঙ্গে জরুরি খাদ্য সরবরাহের কাজে বের হন। এ সময় হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায় এবং বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে রোববার (১ মার্চ) সকালে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলে ধরেছে। আমিরাত কর্তৃপক্ষের দাবি, ইরান থেকে অন্তত ১৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ২টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৪১টি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এর মধ্যে ১৫২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫০৬টি ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। কিছু মিসাইল সাগরে গিয়ে পড়েছে। যে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আমিরাতের ভূখণ্ডে আঘাত হেনেছে, তাতেই হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। নিহত অপর দুই ব্যক্তি পাকিস্তান ও নেপালের নাগরিক। আহত ৫৮ জনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন। মূলত ওই হত্যাকাণ্ডের কড়া জবাব দিতেই ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অবস্থিত মার্কিন মিত্র দেশ ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই নজিরবিহীন প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন