নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার কারণে আকাশপথ বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন রুটের ফ্লাইট চলাচলে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত চার দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে মোট ১৩১টি ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং দেশের নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নির্দিষ্ট কিছু রুটের আকাশপথ বন্ধ রাখা হয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ তাদের শিডিউল পরিবর্তন বা বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ৩ মার্চ পর্যন্ত এই চার দিনে ধারাবাহিকভাবে ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে:
* ২৮ ফেব্রুয়ারি: ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
* ১ মার্চ: বাতিলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪০টিতে।
* ২ মার্চ: সর্বোচ্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
* ৩ মার্চ (আজ): সর্বশেষ ২২টি ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে গত চার দিনে মোট ১৩১টি নির্ধারিত ফ্লাইটের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
চরম উৎকণ্ঠায় যাত্রীরা
হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ও চরম হতাশা দেখা গেছে। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে লাগেজ নিয়ে বিমানবন্দরে এসে জানতে পারছেন তাদের ফ্লাইট বাতিল। বিশেষ করে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা, যাদের ছুটির মেয়াদ বা ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যায়ে, তারা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।
অনেক যাত্রীর অভিযোগ, ফ্লাইট বাতিলের বিষয়টি তাদের আগে থেকে সঠিকভাবে জানানো হয়নি। এয়ারলাইন্সগুলোর পক্ষ থেকে টিকিটের টাকা ফেরত বা বিকল্প ফ্লাইটের কথা বলা হলেও, কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
এভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক রুটে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হলে বা কোনো দেশের আকাশপথ অনিরাপদ ঘোষণা করা হলে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী এয়ারলাইন্সগুলো ফ্লাইট বাতিল করে থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ক্ষতি কমানোর জন্য এয়ারলাইন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের বিমানবন্দরে আসার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্স বা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার কারণে আকাশপথ বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন রুটের ফ্লাইট চলাচলে মারাত্মক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত চার দিনে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে মোট ১৩১টি ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং দেশের নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে নির্দিষ্ট কিছু রুটের আকাশপথ বন্ধ রাখা হয়েছে। ঝুঁকি এড়াতে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ তাদের শিডিউল পরিবর্তন বা বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ৩ মার্চ পর্যন্ত এই চার দিনে ধারাবাহিকভাবে ফ্লাইট বাতিলের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে:
* ২৮ ফেব্রুয়ারি: ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়।
* ১ মার্চ: বাতিলের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪০টিতে।
* ২ মার্চ: সর্বোচ্চ ৪৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
* ৩ মার্চ (আজ): সর্বশেষ ২২টি ফ্লাইট বাতিলের খবর পাওয়া গেছে।
সব মিলিয়ে গত চার দিনে মোট ১৩১টি নির্ধারিত ফ্লাইটের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
চরম উৎকণ্ঠায় যাত্রীরা
হঠাৎ করে বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ও চরম হতাশা দেখা গেছে। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে লাগেজ নিয়ে বিমানবন্দরে এসে জানতে পারছেন তাদের ফ্লাইট বাতিল। বিশেষ করে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা, যাদের ছুটির মেয়াদ বা ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যায়ে, তারা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন।
অনেক যাত্রীর অভিযোগ, ফ্লাইট বাতিলের বিষয়টি তাদের আগে থেকে সঠিকভাবে জানানো হয়নি। এয়ারলাইন্সগুলোর পক্ষ থেকে টিকিটের টাকা ফেরত বা বিকল্প ফ্লাইটের কথা বলা হলেও, কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
এভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক রুটে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হলে বা কোনো দেশের আকাশপথ অনিরাপদ ঘোষণা করা হলে আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী এয়ারলাইন্সগুলো ফ্লাইট বাতিল করে থাকে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ক্ষতি কমানোর জন্য এয়ারলাইন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের বিমানবন্দরে আসার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইন্স বা ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন