সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই আলোচনার প্রস্তাব গ্রহণ করার জন্য এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।
বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে যে, ইরান তাদের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় এবং এ লক্ষ্যে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে।
এই প্রস্তাবের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এখন আর আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সময় পেরিয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘ সময় ধরে উত্তপ্ত। পারমাণবিক কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ইরানের সমর্থন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এই উত্তেজনার মূল কারণ। ট্রাম্পের শাসনামলে (২০১৭-২০২১) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক বেশ তলানিতে ঠেকেছিল। ট্রাম্প ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি (JCPOA) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন এবং নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
এটি লক্ষণীয় যে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প নন। তাই ট্রাম্পের এই মন্তব্য ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতিকে প্রতিফলিত করে না। তবে, যেহেতু ট্রাম্প ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একজন শক্তিশালী প্রার্থী ছিলেন (এবং সম্ভবত ভবিষ্যতে আবারো রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন), তাই তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
সম্প্রতি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি খবরে বলা হয়েছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই আলোচনার প্রস্তাব গ্রহণ করার জন্য এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।
বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়েছে যে, ইরান তাদের সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় এবং এ লক্ষ্যে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে।
এই প্রস্তাবের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এখন আর আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সময় পেরিয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘ সময় ধরে উত্তপ্ত। পারমাণবিক কর্মসূচি, মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ইরানের সমর্থন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এই উত্তেজনার মূল কারণ। ট্রাম্পের শাসনামলে (২০১৭-২০২১) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক বেশ তলানিতে ঠেকেছিল। ট্রাম্প ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে হওয়া পারমাণবিক চুক্তি (JCPOA) থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন এবং নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
এটি লক্ষণীয় যে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প নন। তাই ট্রাম্পের এই মন্তব্য ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে, যা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রনীতিকে প্রতিফলিত করে না। তবে, যেহেতু ট্রাম্প ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একজন শক্তিশালী প্রার্থী ছিলেন (এবং সম্ভবত ভবিষ্যতে আবারো রাজনীতিতে সক্রিয় থাকবেন), তাই তার এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন