প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
তিন তেল কোম্পানিকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে দুটি করার পরিকল্পনাা
দৈনিক গণজাগরণ ||
দেশের জ্বালানি খাতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং পরিচালনা ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিনের প্রচলিত কাঠামো ভেঙে বিদ্যমান তিনটি রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন কোম্পানিকে একীভূত (Merger) করে দুটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের এই পরিকল্পনা এখন আলোচনার কেন্দ্রে।বর্তমানে বিপিসি-এর (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন) অধীনে তিনটি প্রধান তেল কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি কাজ করছে। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাজ অনেকটা একই ধরণের হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে কাজের দ্বৈততা এবং প্রশাসনিক ব্যয় বৃদ্ধি পায়। পৃথক তিনটি বোর্ডের পরিবর্তে দুটি বোর্ড হলে প্রশাসনিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। কোম্পানিগুলোর সক্ষমতা বাড়িয়ে বাজারে জ্বালানি সরবরাহ আরও নিরবচ্ছিন্ন করা। তদারকি ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিনটি কোম্পানির সম্পদ ও জনবলকে এমনভাবে বিন্যাস করা হবে যাতে সমজাতীয় কাজগুলো একক ব্যবস্থাপনায় চলে আসে। তবে এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান কর্মীদের কর্মসংস্থান বা সুযোগ-সুবিধার যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বিশ্বের অনেক দেশেই জ্বালানি খাতের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলোকে একীভূত করার উদাহরণ রয়েছে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া দ্রুত হয় এবং ভোক্তা পর্যায়ে সেবার মান উন্নত হয়। তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, এই প্রশাসনিক পরিবর্তনের ফলে যেন জ্বালানি তেলের সঠিক মান ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত হয়।একীভূতকরণের এই প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত হলে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন যুগের সূচনা হবে। সরকারি সম্পদ ও সক্ষমতার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ সাশ্রয় এবং জনসেবা নিশ্চিত করাই হবে এই উদ্যোগের মূল সাফল্য
সম্পাদক ও প্রকাশক - তপন রায় ,
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক : আরমান ইসলাম ,
বার্তা সম্পাদক : বিধান রায়
দৈনিক গণজাগরণ