প্রিন্ট এর তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
সরকার পতনের লক্ষ্যে ঈদের পর তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি জামায়াতকর্মীরা
দৈনিক গণজাগরণ ||
আসন্ন ঈদের পর বর্তমান সরকারের পতনের লক্ষ্যে দুর্বার আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী। সম্প্রতি রাজপথে এক জমায়েতে উপস্থিত হয়ে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তার এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও গুঞ্জন শুরু হয়েছে।সাধারণ জনতার মাঝে দাঁড়িয়ে ওই জামায়াতকর্মী তার বক্তব্যে দাবি করেন, বর্তমান সরকারের অধীনে দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এই সরকারের পতন ঘটানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ খোলা নেই। এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণকে ঈদের পরপরই ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসার এবং বৃহত্তর সরকারবিরোধী আন্দোলনে শরিক হওয়ার উদাত্ত আহ্বান জানান।বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'ঈদের পর আন্দোলন' একটি অত্যন্ত পরিচিত স্লোগান। অতীতেও বিভিন্ন সময় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে ঈদের পর কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিতে দেখা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন কর্মীর মুখ দিয়ে এমন বক্তব্য আসার অর্থ হলো— এটি রাজনৈতিক দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি অংশ হতে পারে। এর মাধ্যমে তারা ঈদের পর সরকারবিরোধী যেকোনো আন্দোলন বা কর্মসূচিকে আরও বেগবান ও সুসংগঠিত করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।এই আন্দোলনের ডাকের পর জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ নাগরিকদের অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ঈদের পর রাজনৈতিক মাঠ ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জনজীবন, যাতায়াত এবং দেশের অর্থনীতিতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সংঘাত ও সহিংসতার আশঙ্কায় অনেকেই উদ্বিগ্ন।অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দল ও সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণত বিরোধীদের এ ধরনের ঘোষণাকে রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর বলে মন্তব্য করা হয়। তবে ঈদের পর রাজপথে কোনো ধরনের অরাজকতা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি যেন তৈরি হতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই ঘোষণা বাস্তবে রূপ নেবে কি না, নাকি কেবলই রাজনৈতিক হুংকার হয়ে থাকবে, তা দেখার জন্য ঈদের পর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক - তপন রায় ,
প্রধান নির্বাহী সম্পাদক : আরমান ইসলাম ,
বার্তা সম্পাদক : বিধান রায়
দৈনিক গণজাগরণ