দৈনিক গণজাগরণ

দফায় দফায় কম্পনে কেঁপে উঠল বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল



দফায় দফায় কম্পনে কেঁপে উঠল বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল

ভারতের সিকিম রাজ্যে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাবে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার, দিনের বিভিন্ন সময়ে কয়েক দফায় এই কম্পন অনুভূত হয়। সিকিমে উৎপত্তিস্থল হওয়া এই ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এর প্রভাব ভারতের সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলে স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মূল কেন্দ্র বা উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিম রাজ্য। সেখানে অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিকবার বা 'দফায় দফায়' এই কম্পন সৃষ্টি হয়। ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, সিকিম এবং হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চলগুলো ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মধ্যে পড়ে। আজকের এই কম্পনটি ছিল মাঝারি থেকে শক্তিশালী মাত্রার, যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সিকিমের কাছাকাছি হওয়ায় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, সিলেট এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলে তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন সাধারণ মানুষ।

 রাজধানী ঢাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। বহুতল ভবনগুলোতে বসবাসরত বাসিন্দারা কম্পন অনুভব করার সাথে সাথেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

 কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ ঘরবাড়ি ও অফিস ছেড়ে খোলা জায়গায় বা রাস্তায় নেমে আসেন। তবে এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ঘন ঘন বা দফায় দফায় এমন ভূমিকম্প বা 'আফটার শক' হওয়ার কারণে বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে ভূমিকম্প চলাকালীন সময়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং এটি আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। 


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক গণজাগরণ

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬


দফায় দফায় কম্পনে কেঁপে উঠল বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল

প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ভারতের সিকিম রাজ্যে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাবে কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার, দিনের বিভিন্ন সময়ে কয়েক দফায় এই কম্পন অনুভূত হয়। সিকিমে উৎপত্তিস্থল হওয়া এই ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এর প্রভাব ভারতের সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলে স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মূল কেন্দ্র বা উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিম রাজ্য। সেখানে অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিকবার বা 'দফায় দফায়' এই কম্পন সৃষ্টি হয়। ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, সিকিম এবং হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চলগুলো ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মধ্যে পড়ে। আজকের এই কম্পনটি ছিল মাঝারি থেকে শক্তিশালী মাত্রার, যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সিকিমের কাছাকাছি হওয়ায় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, সিলেট এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলে তীব্র ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন সাধারণ মানুষ।

 রাজধানী ঢাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। বহুতল ভবনগুলোতে বসবাসরত বাসিন্দারা কম্পন অনুভব করার সাথে সাথেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

 কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষ ঘরবাড়ি ও অফিস ছেড়ে খোলা জায়গায় বা রাস্তায় নেমে আসেন। তবে এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ঘন ঘন বা দফায় দফায় এমন ভূমিকম্প বা 'আফটার শক' হওয়ার কারণে বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আতঙ্কিত না হয়ে ভূমিকম্প চলাকালীন সময়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভূমিকম্প একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং এটি আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। 



দৈনিক গণজাগরণ

সম্পাদক ও প্রকাশক- তপন রায় , প্রধান নির্বাহী সম্পাদক : আরমান ইসলাম , বার্তা সম্পাদক : বিধান রায়
দৈনিক গণজাগরণ