একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজেদের অবস্থান থেকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামী আলোচক শায়খ মিজানুর রহমান আজহারি। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, একটি রাষ্ট্র তখনই সত্যিকার অর্থে জনকল্যাণমুখী হয়, যখন সেখানে শাসকের জবাবদিহিতা থাকে এবং শাসিতের অর্থাৎ জনগণের সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়। রাষ্ট্র বিনির্মাণের এই প্রক্রিয়ায় জনগণ যদি উদাসীন থাকে, তবে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে নিজের অংশগ্রহণ বা প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
মিজানুর রহমান আজহারি তার বক্তব্যে মূলত সুশাসন ও ন্যায়বিচারের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি। আর এই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের প্রয়োজন, যারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।
বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তার এই বক্তব্যটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র কাঠামোগত পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তন এবং নিজের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতাই একটি আদর্শ রাষ্ট্র গঠনের মূল চাবিকাঠি।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
একটি ন্যায়ভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য দেশের সর্বস্তরের মানুষকে নিজেদের অবস্থান থেকে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামী আলোচক শায়খ মিজানুর রহমান আজহারি। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রদান করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, একটি রাষ্ট্র তখনই সত্যিকার অর্থে জনকল্যাণমুখী হয়, যখন সেখানে শাসকের জবাবদিহিতা থাকে এবং শাসিতের অর্থাৎ জনগণের সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়। রাষ্ট্র বিনির্মাণের এই প্রক্রিয়ায় জনগণ যদি উদাসীন থাকে, তবে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে নিজের অংশগ্রহণ বা প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
মিজানুর রহমান আজহারি তার বক্তব্যে মূলত সুশাসন ও ন্যায়বিচারের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি। আর এই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্বের প্রয়োজন, যারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।
বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তার এই বক্তব্যটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র কাঠামোগত পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তন এবং নিজের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতাই একটি আদর্শ রাষ্ট্র গঠনের মূল চাবিকাঠি।

আপনার মতামত লিখুন