সরকারি কর্মকর্তার বাড়িতে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার অভিযানে উদ্ধার হলো আলমারিভর্তি কোটি কোটি টাকা। অবৈধভাবে উপার্জিত এই বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্ধান পেয়ে হতবাক খোদ তদন্তকারী কর্মকর্তারাও।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে দুর্নীতির এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি। জানা গেছে, ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কটক সার্কেলের খনি বিভাগের একজন ডেপুটি ডিরেক্টরের বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়। ওই কর্মকর্তার নাম মোহান্তি।
তদন্তকারী সংস্থার সূত্র মতে, একজন কয়লা ব্যবসায়ীকে অবৈধ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ওই কর্মকর্তা। এর বিনিময়ে তিনি ৩০ হাজার রুপি ঘুষ গ্রহণ করেন। এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা (ভিজিল্যান্স) ফাঁদ পেতে তাকে টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে।
ওই খনি কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের পরপরই তার সম্পদের খোঁজে তিনটি ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি অভিযানে নামে ভিজিল্যান্স। তার ভুবনেশ্বরের ফ্ল্যাট, ভদ্রকের পৈতৃক বাড়ি এবং কটকের চেম্বারে এই অভিযান চালানো হয়।
সবচেয়ে বড় চমকটি অপেক্ষা করছিল ভুবনেশ্বরে ওই কর্মকর্তার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে। সেখানে তল্লাশি চালানোর সময় তদন্তকারীরা একটি ট্রলিব্যাগ এবং ঘরের আলমারির ভেতর থরে থরে সাজানো টাকার পাহাড় খুঁজে পান। শুধু আলমারি নয়, তার বিছানার নিচে এবং অফিসের ডেস্কের ড্রয়ারেও লুকিয়ে রাখা হয়েছিল কাড়ি কাড়ি টাকা। সব মিলিয়ে সেখান থেকে কোটি কোটি রুপি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী দল।
বর্তমানে ওই দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তার এই বিপুল সম্পদের পেছনে আর কাদের মদদ রয়েছে বা আরও কোনো গোপন অর্থ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকারি কর্মকর্তার বাড়িতে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার অভিযানে উদ্ধার হলো আলমারিভর্তি কোটি কোটি টাকা। অবৈধভাবে উপার্জিত এই বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্ধান পেয়ে হতবাক খোদ তদন্তকারী কর্মকর্তারাও।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে দুর্নীতির এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি। জানা গেছে, ভারতের ওড়িশা রাজ্যের কটক সার্কেলের খনি বিভাগের একজন ডেপুটি ডিরেক্টরের বাড়িতে এই অভিযান চালানো হয়। ওই কর্মকর্তার নাম মোহান্তি।
তদন্তকারী সংস্থার সূত্র মতে, একজন কয়লা ব্যবসায়ীকে অবৈধ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ওই কর্মকর্তা। এর বিনিময়ে তিনি ৩০ হাজার রুপি ঘুষ গ্রহণ করেন। এই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা (ভিজিল্যান্স) ফাঁদ পেতে তাকে টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করে।
ওই খনি কর্মকর্তাকে গ্রেফতারের পরপরই তার সম্পদের খোঁজে তিনটি ঠিকানায় একযোগে তল্লাশি অভিযানে নামে ভিজিল্যান্স। তার ভুবনেশ্বরের ফ্ল্যাট, ভদ্রকের পৈতৃক বাড়ি এবং কটকের চেম্বারে এই অভিযান চালানো হয়।
সবচেয়ে বড় চমকটি অপেক্ষা করছিল ভুবনেশ্বরে ওই কর্মকর্তার বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে। সেখানে তল্লাশি চালানোর সময় তদন্তকারীরা একটি ট্রলিব্যাগ এবং ঘরের আলমারির ভেতর থরে থরে সাজানো টাকার পাহাড় খুঁজে পান। শুধু আলমারি নয়, তার বিছানার নিচে এবং অফিসের ডেস্কের ড্রয়ারেও লুকিয়ে রাখা হয়েছিল কাড়ি কাড়ি টাকা। সব মিলিয়ে সেখান থেকে কোটি কোটি রুপি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী দল।
বর্তমানে ওই দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তার এই বিপুল সম্পদের পেছনে আর কাদের মদদ রয়েছে বা আরও কোনো গোপন অর্থ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন