দেশের সরকারপ্রধানের বাসস্থানের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার্থে অবিলম্বে একটি সুরক্ষিত সরকারি বাসভবন নির্ধারণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মণ্ডল রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ প্রেরণ করেন।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রের শীর্ষ নির্বাহীর উপযুক্ত আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তার কাছে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। যাঁদের বরাবর নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব
মুখ্যসচিব
স্থানীয় সরকার সচিব
জনপ্রশাসন সচিব
আইন সচিব
সংসদবিষয়ক সচিব
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)
নোটিশে অবিলম্বে এ বিষয়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায়, উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট) রিট পিটিশন দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’-কে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে। এরপর থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের জন্য নিরাপদ, উপযুক্ত এবং স্থায়ী কোনো সরকারি বাসভবন নির্ধারণ, নির্মাণ বা সংস্কারের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি।
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের প্রধান। সরকারের ধারাবাহিকতা এবং সুষ্ঠু কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে তাঁর জন্য একটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত ও নিরাপদ সরকারি বাসভবন থাকা আবশ্যক।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আপাত নিষ্ক্রিয়তা সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে প্রশাসনিক দায়িত্ববোধ ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
একটি দেশের সরকারপ্রধানের বাসভবন শুধু একটি থাকার জায়গা নয়, এটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নিরাপত্তার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। গণভবন জাদুঘরে পরিণত হওয়ার পর নতুন সরকার গঠিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী বাসভবনের বিষয়টি এখনো মীমাংসিত হয়নি। আইনি নোটিশটি মূলত এই শূন্যতা পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করতেই পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের সরকারপ্রধানের বাসস্থানের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার্থে অবিলম্বে একটি সুরক্ষিত সরকারি বাসভবন নির্ধারণের দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মণ্ডল রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এই নোটিশ প্রেরণ করেন।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রের শীর্ষ নির্বাহীর উপযুক্ত আবাসিক সুবিধা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সচিব এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তার কাছে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। যাঁদের বরাবর নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব
গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব
মুখ্যসচিব
স্থানীয় সরকার সচিব
জনপ্রশাসন সচিব
আইন সচিব
সংসদবিষয়ক সচিব
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি)
নোটিশে অবিলম্বে এ বিষয়ে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায়, উচ্চ আদালতে (হাইকোর্ট) রিট পিটিশন দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ‘গণভবন’-কে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়েছে। এরপর থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের জন্য নিরাপদ, উপযুক্ত এবং স্থায়ী কোনো সরকারি বাসভবন নির্ধারণ, নির্মাণ বা সংস্কারের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি।
প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের প্রধান। সরকারের ধারাবাহিকতা এবং সুষ্ঠু কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে তাঁর জন্য একটি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারিত ও নিরাপদ সরকারি বাসভবন থাকা আবশ্যক।
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আপাত নিষ্ক্রিয়তা সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে প্রশাসনিক দায়িত্ববোধ ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
একটি দেশের সরকারপ্রধানের বাসভবন শুধু একটি থাকার জায়গা নয়, এটি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নিরাপত্তার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। গণভবন জাদুঘরে পরিণত হওয়ার পর নতুন সরকার গঠিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী বাসভবনের বিষয়টি এখনো মীমাংসিত হয়নি। আইনি নোটিশটি মূলত এই শূন্যতা পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য করতেই পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন