পারিবারিক কলহের জেরে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী রিয়াদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, হত্যার পর নিহতের পরিবারকে ফোন করে চরম অমানবিকতার সঙ্গে মরদেহ নিয়ে যেতে বলেছেন অভিযুক্ত স্বামী। এই চাঞ্চল্যকর ও মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবারে বইছে শোকের মাতম, সেই সঙ্গে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।
নিহতের পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন কারণে ওই গৃহবধূর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন রিয়াদ। দাম্পত্য জীবনে প্রায়শই তাদের মধ্যে বিবাদ লেগে থাকত। স্বজনদের অভিযোগ, এই ধারাবাহিক নির্যাতনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবেই তাকে নির্মমভাবে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবার গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে জানান, স্বামী রিয়াদ নিজেই তাদের কাছে ফোন করেন। অত্যন্ত নির্লিপ্ত ও নিষ্ঠুরভাবে তিনি জানান যে, তিনি ওই গৃহবধূকে গলা টিপে হত্যা করেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের এসে মরদেহ নিয়ে যেতে বলেন। এমন খবর শোনার পর বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন স্বজনরা। একজন স্বামী কীভাবে নিজ স্ত্রীকে হত্যার পর এত ঠান্ডা মাথায় এমন কথা বলতে পারেন, তা নিয়ে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও সুরতহাল প্রতিবেদনেও শ্বাসরোধের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। তবে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর আইনি কারণ শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী রিয়াদ পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে।
নিহতের পরিবার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীর দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, "যে পাষণ্ড স্বামী এমন নিষ্ঠুরভাবে স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলতে পারে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে আর কোনো মেয়েকে এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।" পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে তারা বদ্ধপরিকর।

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পারিবারিক কলহের জেরে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী রিয়াদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, হত্যার পর নিহতের পরিবারকে ফোন করে চরম অমানবিকতার সঙ্গে মরদেহ নিয়ে যেতে বলেছেন অভিযুক্ত স্বামী। এই চাঞ্চল্যকর ও মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতের পরিবারে বইছে শোকের মাতম, সেই সঙ্গে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকাবাসী।
নিহতের পরিবারের দাবি, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন কারণে ওই গৃহবধূর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন রিয়াদ। দাম্পত্য জীবনে প্রায়শই তাদের মধ্যে বিবাদ লেগে থাকত। স্বজনদের অভিযোগ, এই ধারাবাহিক নির্যাতনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবেই তাকে নির্মমভাবে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের শোকসন্তপ্ত পরিবার গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে জানান, স্বামী রিয়াদ নিজেই তাদের কাছে ফোন করেন। অত্যন্ত নির্লিপ্ত ও নিষ্ঠুরভাবে তিনি জানান যে, তিনি ওই গৃহবধূকে গলা টিপে হত্যা করেছেন এবং পরিবারের সদস্যদের এসে মরদেহ নিয়ে যেতে বলেন। এমন খবর শোনার পর বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন স্বজনরা। একজন স্বামী কীভাবে নিজ স্ত্রীকে হত্যার পর এত ঠান্ডা মাথায় এমন কথা বলতে পারেন, তা নিয়ে বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও সুরতহাল প্রতিবেদনেও শ্বাসরোধের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানা যায়। তবে ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর আইনি কারণ শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী রিয়াদ পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করছে।
নিহতের পরিবার এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীর দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলছেন, "যে পাষণ্ড স্বামী এমন নিষ্ঠুরভাবে স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলতে পারে, তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে আর কোনো মেয়েকে এভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।" পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে তারা বদ্ধপরিকর।

আপনার মতামত লিখুন