দেশের অর্থনীতিতে নিরলসভাবে অবদান রেখে চলা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি বড় সুখবর নিয়ে এসেছে সরকার। বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহ প্রদান এবং দেশের আর্থিক উন্নয়নে প্রবাসীদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আগামী দুই মাসের মধ্যে 'প্রবাসী কার্ড' চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বেশ কিছু আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:
প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের জায়গা ছিল বিমানবন্দরে হয়রানি। এই কার্ড ব্যবহার করে প্রবাসীরা বিমানবন্দরে দ্রুত ইমিগ্রেশন সুবিধা পাবেন, যা তাদের যাতায়াতকে আরও সহজ করবে।
প্রবাসীরা যখন ছুটিতে দেশে আসবেন, তখন তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং দেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের সুরক্ষায় এই কার্ড বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করবে। যেসব প্রবাসী নিয়মিত এবং অধিক পরিমাণে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাবেন, তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত লজিস্টিক ও আনুষঙ্গিক সহায়তা প্রদানেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
শুধু প্রবাসী কার্ডই নয়, প্রবাসীদের আরও কিছু মৌলিক দাবি পূরণে সরকার কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মরদেহ সম্পূর্ণ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রবাসীবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই এই উদ্যোগ আলোর মুখ দেখবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
পাশাপাশি প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রতারকদের হাত থেকে প্রবাসীদের বাঁচাতে একটি সুরক্ষিত বিনিয়োগ কাঠামো প্রস্তুত করার কাজ চলমান রয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীরা হুন্ডির মতো অবৈধ পথ পরিহার করে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে প্রবাসীদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে। বহির্বিশ্বে অবস্থানরত অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
দেশের অর্থনীতিতে নিরলসভাবে অবদান রেখে চলা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য একটি বড় সুখবর নিয়ে এসেছে সরকার। বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহ প্রদান এবং দেশের আর্থিক উন্নয়নে প্রবাসীদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আগামী দুই মাসের মধ্যে 'প্রবাসী কার্ড' চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা বেশ কিছু আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:
প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের জায়গা ছিল বিমানবন্দরে হয়রানি। এই কার্ড ব্যবহার করে প্রবাসীরা বিমানবন্দরে দ্রুত ইমিগ্রেশন সুবিধা পাবেন, যা তাদের যাতায়াতকে আরও সহজ করবে।
প্রবাসীরা যখন ছুটিতে দেশে আসবেন, তখন তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা এবং দেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের সুরক্ষায় এই কার্ড বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান করবে। যেসব প্রবাসী নিয়মিত এবং অধিক পরিমাণে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাবেন, তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত লজিস্টিক ও আনুষঙ্গিক সহায়তা প্রদানেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
শুধু প্রবাসী কার্ডই নয়, প্রবাসীদের আরও কিছু মৌলিক দাবি পূরণে সরকার কাজ করছে। মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মরদেহ সম্পূর্ণ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রবাসীবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই এই উদ্যোগ আলোর মুখ দেখবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
পাশাপাশি প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রতারকদের হাত থেকে প্রবাসীদের বাঁচাতে একটি সুরক্ষিত বিনিয়োগ কাঠামো প্রস্তুত করার কাজ চলমান রয়েছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে প্রবাসীরা হুন্ডির মতো অবৈধ পথ পরিহার করে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এর ফলে একদিকে যেমন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে প্রবাসীদের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে। বহির্বিশ্বে অবস্থানরত অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশিরাও সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন