চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশে মোট ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।
এনবিআর-এর প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) মোট ৩ লাখ ২৬ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। গত বছরের ঠিক একই সময়ে এই রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৯৫ হাজার ৬০১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও রাজস্ব আদায়ে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা প্রমাণ করে যে, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়কর খাত ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আদায়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে তা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে এবং ঘাটতি বাজেট মোকাবিলায় বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে। কর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকীকরণ, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং করদাতাদের সচেতনতাও এই প্রবৃদ্ধির পেছনে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা করছে, অর্থবছরের বাকি সময়টুকুতেও রাজস্ব আদায়ের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশে মোট ৩ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা।
এনবিআর-এর প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) মোট ৩ লাখ ২৬ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। গত বছরের ঠিক একই সময়ে এই রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৯৫ হাজার ৬০১ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
হিসাব অনুযায়ী, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দশ মাসে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও রাজস্ব আদায়ে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা প্রমাণ করে যে, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়কর খাত ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আদায়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে তা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে এবং ঘাটতি বাজেট মোকাবিলায় বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে। কর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকীকরণ, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং করদাতাদের সচেতনতাও এই প্রবৃদ্ধির পেছনে নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা করছে, অর্থবছরের বাকি সময়টুকুতেও রাজস্ব আদায়ের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন