দৈনিক গণজাগরণ

স্ত্রীর মৃত্যু রহস্যে নতুন মোড়: আত্মগোপনে থেকে অভিনেতা আলভীর চাঞ্চল্যকর দাবি



স্ত্রীর মৃত্যু রহস্যে নতুন মোড়: আত্মগোপনে থেকে অভিনেতা আলভীর চাঞ্চল্যকর দাবি

ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুর পর ঘটনাটি এবার একেবারেই নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর থেকে আত্মগোপনে থাকা এই অভিনেতা সম্প্রতি এক দীর্ঘ বার্তার মাধ্যমে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এনেছেন। এই বার্তায় তিনি সিসিটিভি ফুটেজ, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং স্ত্রীর অতীত জীবনের নানা দিক নিয়ে বেশ কিছু বিস্ফোরক দাবি করেছেন।

 আলভী দাবি করেন, তার বাসার ড্রয়িং ও ডাইনিং রুমে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল, যার নিয়ন্ত্রণ কেবল তার স্ত্রীর ফোনেই ছিল। তার অভিযোগ, গত ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ রাতে ইকরার কয়েকজন বন্ধু তাদের বাসায় এসে গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করেন।

 মৃত্যুর আগের দিন ইকরা তার সহকারীকে দিয়ে ঘুমের ওষুধ আনিয়েছিলেন বলে আলভী জানান। তিনি প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজগুলো সুরক্ষিত রাখার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন যেন প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।

 ইকরার মোবাইল ফোনটি বর্তমানে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পুলিশের কাছে রয়েছে। কার নির্দেশে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে বা সেখান থেকে কোনো তথ্য মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আলভী সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া, ময়নাতদন্তের কাজেও একটি নির্দিষ্ট মহল বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে তিনি দাবি করেন।

 নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে আলভী স্ত্রীর অতীত সম্পর্কে মুখ খোলেন। তিনি জানান, ২০১০ সালে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন। পরবর্তীতে ইকরার পরিবার তাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়। আলভীর দাবি, স্বামী বর্তমান থাকা অবস্থাতেই ইকরা সেই বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিলেন, তবে পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে ফিরে এলে তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন।

বিবৃতির শেষাংশে আলভী নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রভাবশালী মহলের চাপ, স্ত্রীর পরিবারের প্রতিশোধস্পৃহা এবং সহকর্মীদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি বর্তমানে প্রাণভয়ে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

পুরো ঘটনাটি এখন প্রশাসনের নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। আলভীর এই বিবৃতির পর স্ত্রীর মৃত্যু রহস্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল আরও ঘনীভূত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক গণজাগরণ

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


স্ত্রীর মৃত্যু রহস্যে নতুন মোড়: আত্মগোপনে থেকে অভিনেতা আলভীর চাঞ্চল্যকর দাবি

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬

featured Image

ছোট পর্দার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার মৃত্যুর পর ঘটনাটি এবার একেবারেই নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর থেকে আত্মগোপনে থাকা এই অভিনেতা সম্প্রতি এক দীর্ঘ বার্তার মাধ্যমে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এনেছেন। এই বার্তায় তিনি সিসিটিভি ফুটেজ, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং স্ত্রীর অতীত জীবনের নানা দিক নিয়ে বেশ কিছু বিস্ফোরক দাবি করেছেন।

 আলভী দাবি করেন, তার বাসার ড্রয়িং ও ডাইনিং রুমে একটি সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল, যার নিয়ন্ত্রণ কেবল তার স্ত্রীর ফোনেই ছিল। তার অভিযোগ, গত ২৫, ২৬ ও ২৭ তারিখ রাতে ইকরার কয়েকজন বন্ধু তাদের বাসায় এসে গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করেন।

 মৃত্যুর আগের দিন ইকরা তার সহকারীকে দিয়ে ঘুমের ওষুধ আনিয়েছিলেন বলে আলভী জানান। তিনি প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজগুলো সুরক্ষিত রাখার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন যেন প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।

 ইকরার মোবাইল ফোনটি বর্তমানে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পুলিশের কাছে রয়েছে। কার নির্দেশে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে বা সেখান থেকে কোনো তথ্য মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে কি না, তা নিয়ে আলভী সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া, ময়নাতদন্তের কাজেও একটি নির্দিষ্ট মহল বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে তিনি দাবি করেন।

 নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে আলভী স্ত্রীর অতীত সম্পর্কে মুখ খোলেন। তিনি জানান, ২০১০ সালে তারা পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন। পরবর্তীতে ইকরার পরিবার তাকে অন্যত্র বিয়ে দেয়। আলভীর দাবি, স্বামী বর্তমান থাকা অবস্থাতেই ইকরা সেই বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিলেন, তবে পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে ফিরে এলে তিনি তাকে ক্ষমা করে দেন।

বিবৃতির শেষাংশে আলভী নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রভাবশালী মহলের চাপ, স্ত্রীর পরিবারের প্রতিশোধস্পৃহা এবং সহকর্মীদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে তিনি বর্তমানে প্রাণভয়ে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

পুরো ঘটনাটি এখন প্রশাসনের নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। আলভীর এই বিবৃতির পর স্ত্রীর মৃত্যু রহস্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল আরও ঘনীভূত হয়েছে।



দৈনিক গণজাগরণ

সম্পাদক ও প্রকাশক- তপন রায় , প্রধান নির্বাহী সম্পাদক : আরমান ইসলাম , বার্তা সম্পাদক : বিধান রায়
দৈনিক গণজাগরণ