দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি অপরাধীদের এক নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপে অবশেষে সেই 'সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য' ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। সম্প্রতি ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক বড় অভিযানের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি এই তথ্য জানান। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জঙ্গল সলিমপুরের বিস্তীর্ণ পাহাড় দখল করে অবৈধ বসতি গড়ে তুলেছিল। দুর্গম এই এলাকাটিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করে আসছিল। অবৈধভাবে পাহাড় কাটা, সরকারি খাসজমি দখল এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য এলাকাটি সাধারণ মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছিল। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সরকারি জমি উদ্ধার করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার পাশাপাশি অপরাধীদের আস্তানাগুলো সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক গণমাধ্যমকে জানান, জঙ্গল সলিমপুরে এখন আর কোনো অপরাধীর স্থান নেই। যারা সরকারি জায়গা দখল করে এখানে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তাদের সেই অভয়ারণ্য কঠোরভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, জঙ্গল সলিমপুরে উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ সরকারি জমি রক্ষায় এখন থেকে নিয়মিত নজরদারি থাকবে। অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই পুনরায় সেখানে সংঘবদ্ধ হতে না পারে, সেজন্য এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই বিশাল জায়গায় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রশাসনের এই সফল অভিযানের ফলে স্থানীয় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাধারণ মানুষ প্রশাসনের এই যুগান্তকারী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে এমন কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকাটি অপরাধীদের এক নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপে অবশেষে সেই 'সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য' ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। সম্প্রতি ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক বড় অভিযানের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি এই তথ্য জানান। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জঙ্গল সলিমপুরের বিস্তীর্ণ পাহাড় দখল করে অবৈধ বসতি গড়ে তুলেছিল। দুর্গম এই এলাকাটিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তাদের অপরাধমূলক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করে আসছিল। অবৈধভাবে পাহাড় কাটা, সরকারি খাসজমি দখল এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য এলাকাটি সাধারণ মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছিল। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সরকারি জমি উদ্ধার করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে এক যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার পাশাপাশি অপরাধীদের আস্তানাগুলো সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক গণমাধ্যমকে জানান, জঙ্গল সলিমপুরে এখন আর কোনো অপরাধীর স্থান নেই। যারা সরকারি জায়গা দখল করে এখানে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, তাদের সেই অভয়ারণ্য কঠোরভাবে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, জঙ্গল সলিমপুরে উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমাণ সরকারি জমি রক্ষায় এখন থেকে নিয়মিত নজরদারি থাকবে। অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই পুনরায় সেখানে সংঘবদ্ধ হতে না পারে, সেজন্য এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই বিশাল জায়গায় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রশাসনের এই সফল অভিযানের ফলে স্থানীয় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাধারণ মানুষ প্রশাসনের এই যুগান্তকারী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে এমন কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন