দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত থাকা চিকিৎসকদের দুঃখ-দুর্দশা ও অভাব-অভিযোগের কথা সরাসরি শুনলেন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক আকস্মিক সাক্ষাতে চিকিৎসকদের একটি দল প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের পেশাগত জীবনের বঞ্চনা ও দাবিগুলো তুলে ধরার সুযোগ পান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, এই সাক্ষাৎটি ছিল অনেকটা আকস্মিক। তবে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য ও আন্তরিকতার সাথে চিকিৎসকদের কথা শোনেন। দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া এই চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে যথাসময়ে পদোন্নতি না পাওয়ায় যে হতাশার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তা তারা সরাসরি সরকার প্রধানকে অবগত করেন।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে কর্মরত অনেক চিকিৎসক পর্যাপ্ত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতা ও অন্যান্য কারণে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যথাসময়ে পদোন্নতি না হওয়ায় তাদের মধ্যে একধরনের পেশাগত অসন্তোষ ও হতাশা কাজ করছিল। সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই বিষয়গুলো নিয়ে এর আগেও আলোচনা হলেও সুরাহা হয়নি অনেকের ক্ষেত্রেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে এই সরাসরি সাক্ষাতের ফলে চিকিৎসকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
উপস্থিত চিকিৎসকরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, করোনা মহামারিসহ দেশের যেকোনো জাতীয় সংকটে তারা সামনের সারিতে থেকে মানুষের সেবা করে গেছেন। কিন্তু কর্মজীবনে পদোন্নতির ক্ষেত্রে তারা বারবার পিছিয়ে পড়ছেন, যা তাদের কাজের স্পৃহাকে কমিয়ে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
চিকিৎসক সমাজের প্রতিনিধিরা এখন আশা প্রকাশ করছেন যে, সরকার প্রধানের এই সহানুভূতিশীল মনোভাব ও সরাসরি হস্তক্ষেপে তাদের দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও দ্রুত সমাধান হবে। প্রশাসনিক সকল জটিলতা কাটিয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি নিশ্চিত করা হলে, তা চিকিৎসকদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের সার্বিক চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি বঞ্চিত থাকা চিকিৎসকদের দুঃখ-দুর্দশা ও অভাব-অভিযোগের কথা সরাসরি শুনলেন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক আকস্মিক সাক্ষাতে চিকিৎসকদের একটি দল প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের পেশাগত জীবনের বঞ্চনা ও দাবিগুলো তুলে ধরার সুযোগ পান।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির বরাত দিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, এই সাক্ষাৎটি ছিল অনেকটা আকস্মিক। তবে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য ও আন্তরিকতার সাথে চিকিৎসকদের কথা শোনেন। দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া এই চিকিৎসকরা দীর্ঘদিন ধরে যথাসময়ে পদোন্নতি না পাওয়ায় যে হতাশার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তা তারা সরাসরি সরকার প্রধানকে অবগত করেন।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে কর্মরত অনেক চিকিৎসক পর্যাপ্ত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ প্রশাসনিক জটিলতা ও অন্যান্য কারণে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যথাসময়ে পদোন্নতি না হওয়ায় তাদের মধ্যে একধরনের পেশাগত অসন্তোষ ও হতাশা কাজ করছিল। সরকারের উচ্চপর্যায়ে এই বিষয়গুলো নিয়ে এর আগেও আলোচনা হলেও সুরাহা হয়নি অনেকের ক্ষেত্রেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর সাথে এই সরাসরি সাক্ষাতের ফলে চিকিৎসকদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
উপস্থিত চিকিৎসকরা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, করোনা মহামারিসহ দেশের যেকোনো জাতীয় সংকটে তারা সামনের সারিতে থেকে মানুষের সেবা করে গেছেন। কিন্তু কর্মজীবনে পদোন্নতির ক্ষেত্রে তারা বারবার পিছিয়ে পড়ছেন, যা তাদের কাজের স্পৃহাকে কমিয়ে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
চিকিৎসক সমাজের প্রতিনিধিরা এখন আশা প্রকাশ করছেন যে, সরকার প্রধানের এই সহানুভূতিশীল মনোভাব ও সরাসরি হস্তক্ষেপে তাদের দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটি সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও দ্রুত সমাধান হবে। প্রশাসনিক সকল জটিলতা কাটিয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি নিশ্চিত করা হলে, তা চিকিৎসকদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের সার্বিক চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন