প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়েও ভুয়া সনদে বা জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুতই জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে মন্ত্রীর এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানা গেছে। মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশের সূর্যসন্তানদের নামের পবিত্র তালিকায় কোনোভাবেই কোনো অমুক্তিযোদ্ধার স্থান হতে পারে না। এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং প্রকৃত বীরদের প্রতি অবমাননাকর। তাই সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠে আসছিল যে, কিছু অসাধু ব্যক্তি অসদুপায় অবলম্বন করে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তারা অন্যায্যভাবে রাষ্ট্রীয় ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন, যা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার ক্ষুন্ন করছে। এ বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে জোর দিয়ে জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে যারা অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হবেন, তাদের শুধু তালিকা থেকেই বাদ দেওয়া হবে না, বরং জালিয়াতির দায়ে তাদের পরিচয় জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে। রাষ্ট্র ও জাতির সাথে প্রতারণা করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হতে পারে। এছাড়া, অমুক্তিযোদ্ধারা এতদিন ধরে রাষ্ট্রের যে আর্থিক সুবিধা বা ভাতা ভোগ করেছেন, তা প্রয়োজনে কোষাগারে ফেরত আনার বিধান নিয়েও আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এরই মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে তথ্য অনুসন্ধানের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। অভিযুক্তদের স্বপক্ষে প্রমাণ দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে, যাতে কোনো নিরপরাধ বা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়রানির শিকার না হন। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেই এই চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার নিশ্চিতে ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সুশীল সমাজ ও দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। সবারই প্রত্যাশা, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অমুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হবে।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়েও ভুয়া সনদে বা জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধার সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের চিহ্নিত করে দ্রুতই জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে মন্ত্রীর এই দৃঢ় অবস্থানের কথা জানা গেছে। মন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দেশের সূর্যসন্তানদের নামের পবিত্র তালিকায় কোনোভাবেই কোনো অমুক্তিযোদ্ধার স্থান হতে পারে না। এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং প্রকৃত বীরদের প্রতি অবমাননাকর। তাই সরকার অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ উঠে আসছিল যে, কিছু অসাধু ব্যক্তি অসদুপায় অবলম্বন করে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তারা অন্যায্যভাবে রাষ্ট্রীয় ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছেন, যা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার ক্ষুন্ন করছে। এ বিষয়ে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে জোর দিয়ে জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শেষে যারা অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হবেন, তাদের শুধু তালিকা থেকেই বাদ দেওয়া হবে না, বরং জালিয়াতির দায়ে তাদের পরিচয় জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে। রাষ্ট্র ও জাতির সাথে প্রতারণা করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হতে পারে। এছাড়া, অমুক্তিযোদ্ধারা এতদিন ধরে রাষ্ট্রের যে আর্থিক সুবিধা বা ভাতা ভোগ করেছেন, তা প্রয়োজনে কোষাগারে ফেরত আনার বিধান নিয়েও আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এরই মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে গঠিত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে তথ্য অনুসন্ধানের কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। অভিযুক্তদের স্বপক্ষে প্রমাণ দেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে, যাতে কোনো নিরপরাধ বা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হয়রানির শিকার না হন। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেই এই চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন করা হবে।
প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার নিশ্চিতে ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সুশীল সমাজ ও দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। সবারই প্রত্যাশা, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অমুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন