সৌদি আরবে অবৈধভাবে বসবাস, শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি অমান্য করার অভিযোগে ১১ হাজারের বেশি অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি দেশজুড়ে পরিচালিত এক যৌথ তল্লাশি ও আটক অভিযানের মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক প্রবাসীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই কড়াকড়ি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই আবাসন আইন বা ইকামা লঙ্ঘনকারী। এছাড়া অনেকেই অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে সেদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন এবং অনেকেই নির্দিষ্ট স্পন্সরের (কফিল) বাইরে অন্য জায়গায় কাজ করে শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন। দেশটির বিভিন্ন শহর ও অঞ্চলে একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
আটককৃত এই অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই বা যারা গুরুতর আইন লঙ্ঘন করেছেন, তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর (ডিপোর্টেশন) ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে আটককৃতদের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে এবং তাদের দূতাবাসগুলোর সাথে যোগাযোগ করে দেশে ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট প্রস্তুতের কাজ চলছে।
সৌদি প্রশাসন অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয়, কর্মসংস্থান, পরিবহন বা কোনো ধরনের সহায়তা প্রদানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। স্থানীয় নাগরিক বা বৈধ প্রবাসীদের কেউ যদি অবৈধদের কোনোভাবে সহযোগিতা করেন, তবে তাদেরও মোটা অঙ্কের জরিমানা, সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং কারাদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সেদেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিজের কাজের অনুমতিপত্র (ইকামা) সব সময় সাথে রাখা এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা নবায়ন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোনোভাবেই যেন দেশের প্রচলিত আইনকানুন লঙ্ঘিত না হয়, সে বিষয়ে প্রবাসীদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
সৌদি আরবে অবৈধভাবে বসবাস, শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি অমান্য করার অভিযোগে ১১ হাজারের বেশি অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্প্রতি দেশজুড়ে পরিচালিত এক যৌথ তল্লাশি ও আটক অভিযানের মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক প্রবাসীকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই কড়াকড়ি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই আবাসন আইন বা ইকামা লঙ্ঘনকারী। এছাড়া অনেকেই অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে সেদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন এবং অনেকেই নির্দিষ্ট স্পন্সরের (কফিল) বাইরে অন্য জায়গায় কাজ করে শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন। দেশটির বিভিন্ন শহর ও অঞ্চলে একযোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
আটককৃত এই অভিবাসীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই বা যারা গুরুতর আইন লঙ্ঘন করেছেন, তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর (ডিপোর্টেশন) ব্যবস্থা করা হবে। বর্তমানে আটককৃতদের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে এবং তাদের দূতাবাসগুলোর সাথে যোগাযোগ করে দেশে ফেরানোর জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট প্রস্তুতের কাজ চলছে।
সৌদি প্রশাসন অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয়, কর্মসংস্থান, পরিবহন বা কোনো ধরনের সহায়তা প্রদানের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। স্থানীয় নাগরিক বা বৈধ প্রবাসীদের কেউ যদি অবৈধদের কোনোভাবে সহযোগিতা করেন, তবে তাদেরও মোটা অঙ্কের জরিমানা, সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং কারাদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে সেদেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিজের কাজের অনুমতিপত্র (ইকামা) সব সময় সাথে রাখা এবং মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তা নবায়ন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোনোভাবেই যেন দেশের প্রচলিত আইনকানুন লঙ্ঘিত না হয়, সে বিষয়ে প্রবাসীদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন