বাংলাদেশ    শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
দৈনিক গণজাগরণ

ইসরায়েল-আমিরাত গোপন যোগাযোগের গুঞ্জনে ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া



ইসরায়েল-আমিরাত গোপন যোগাযোগের গুঞ্জনে ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে আবারও উত্তাপ ছড়াচ্ছে নতুন এক খবর। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছে যে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি সফর করেছেন। এই খবরের পর ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে আমিরাতকে কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের গোপন আঁতাত বা সম্পর্ক স্থাপন তাদের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ 'ক্ষমার অযোগ্য' অপরাধ।

মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় ইরান সবসময়ই ইসরায়েলের উপস্থিতিকে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। বিগত বছরগুলোতে সংযুক্ত আরব আমিরাত যখন ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি করেছিল, তখন থেকেই তেহরান ও আবুধাবির মধ্যে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নতুন করে নেতানিয়াহুর এই গোপন সফরের খবর সেই উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের নেতৃবৃন্দ মনে করেন, মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর উচিত ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকা। সেখানে ইসরায়েলের সাথে এমন ঘনিষ্ঠতা বা গোপন বৈঠক পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই কথিত সফর যদি সত্যিই ঘটে থাকে, তবে এটি মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। ইরান মনে করে, ইসরায়েল এই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক ও গোয়েন্দা উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই প্রতিবেশী আরব দেশগুলোকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এ কারণেই ইরান আমিরাতকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছে।

এখন পর্যন্ত এই গোপন সফরের বিষয়ে ইসরায়েল বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে এই গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে উপসাগরীয় অঞ্চলে এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান এই কড়া বার্তার মাধ্যমে শুধু আমিরাতকেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোকেও সতর্ক করে দিল। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে আগামী দিনগুলোতে এই পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং দুই পক্ষ কীভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করে, সেদিকেই এখন নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক গণজাগরণ

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬


ইসরায়েল-আমিরাত গোপন যোগাযোগের গুঞ্জনে ইরানের কড়া প্রতিক্রিয়া

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে আবারও উত্তাপ ছড়াচ্ছে নতুন এক খবর। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন উঠেছে যে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবি সফর করেছেন। এই খবরের পর ইরান তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে আমিরাতকে কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো ধরনের গোপন আঁতাত বা সম্পর্ক স্থাপন তাদের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ 'ক্ষমার অযোগ্য' অপরাধ।

মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় ইরান সবসময়ই ইসরায়েলের উপস্থিতিকে বড় হুমকি হিসেবে দেখে। বিগত বছরগুলোতে সংযুক্ত আরব আমিরাত যখন ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চুক্তি করেছিল, তখন থেকেই তেহরান ও আবুধাবির মধ্যে এক ধরনের স্নায়ুযুদ্ধ বিরাজ করছে। নতুন করে নেতানিয়াহুর এই গোপন সফরের খবর সেই উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের নেতৃবৃন্দ মনে করেন, মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর উচিত ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকা। সেখানে ইসরায়েলের সাথে এমন ঘনিষ্ঠতা বা গোপন বৈঠক পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই কথিত সফর যদি সত্যিই ঘটে থাকে, তবে এটি মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। ইরান মনে করে, ইসরায়েল এই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক ও গোয়েন্দা উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই প্রতিবেশী আরব দেশগুলোকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। এ কারণেই ইরান আমিরাতকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় সতর্ক করেছে।

এখন পর্যন্ত এই গোপন সফরের বিষয়ে ইসরায়েল বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে এই গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে উপসাগরীয় অঞ্চলে এক ধরনের থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান এই কড়া বার্তার মাধ্যমে শুধু আমিরাতকেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোকেও সতর্ক করে দিল। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে আগামী দিনগুলোতে এই পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং দুই পক্ষ কীভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করে, সেদিকেই এখন নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল।


দৈনিক গণজাগরণ

সম্পাদক ও প্রকাশক- তপন রায় তপু , প্রধান নির্বাহী সম্পাদক : আরমান ইসলাম , বার্তা সম্পাদক : বিধান রায়
দৈনিক গণজাগরণ