পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা ত্রুটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক মতাদর্শের তীব্র পার্থক্য থাকলেও, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের নিরাপত্তার বিষয়টি যে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন এই বিজেপি নেতা।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠার পর শুভেন্দু অধিকারী এই মন্তব্য করেন। তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাওয়াটা তার সাংবিধানিক অধিকার। এই দায়িত্ব পালনে রাজ্য পুলিশ এবং প্রশাসনের কোনো ধরনের শিথিলতা বা অপেশাদারিত্ব বরদাস্ত করা হবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী প্রতিনিয়ত রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির কড়া সমালোচনা করে থাকেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তার এই জোরালো অবস্থান প্রমাণ করে যে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তিনি প্রশাসনের পূর্ণ জবাবদিহিতা চাইছেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দিকেই আঙুল তুলেছেন। তাঁর মতে, যদি রাজ্যের খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তাতেই ফাঁকফোকর থাকে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার অবস্থা কী হতে পারে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় বা 'জেড প্লাস' (Z+) ক্যাটাগরির সুরক্ষায় যারা নিয়োজিত আছেন, তাদের আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। অতীতেও বেশ কয়েকবার মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল বিতর্ক হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই বিরোধী দলনেতার এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, প্রশাসনকে তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা ত্রুটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক মতাদর্শের তীব্র পার্থক্য থাকলেও, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের নিরাপত্তার বিষয়টি যে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন এই বিজেপি নেতা।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন ওঠার পর শুভেন্দু অধিকারী এই মন্তব্য করেন। তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাওয়াটা তার সাংবিধানিক অধিকার। এই দায়িত্ব পালনে রাজ্য পুলিশ এবং প্রশাসনের কোনো ধরনের শিথিলতা বা অপেশাদারিত্ব বরদাস্ত করা হবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী প্রতিনিয়ত রাজ্য সরকারের বিভিন্ন নীতির কড়া সমালোচনা করে থাকেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তার এই জোরালো অবস্থান প্রমাণ করে যে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তিনি প্রশাসনের পূর্ণ জবাবদিহিতা চাইছেন। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন এবং স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দিকেই আঙুল তুলেছেন। তাঁর মতে, যদি রাজ্যের খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তাতেই ফাঁকফোকর থাকে, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার অবস্থা কী হতে পারে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় বা 'জেড প্লাস' (Z+) ক্যাটাগরির সুরক্ষায় যারা নিয়োজিত আছেন, তাদের আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। অতীতেও বেশ কয়েকবার মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় নিয়ে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল বিতর্ক হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই বিরোধী দলনেতার এই মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, প্রশাসনকে তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন