যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনা এবার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অভ্যন্তরে ও তাদের প্রভাব বলয়ে থাকা প্রায় তিন হাজার সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় আকস্মিক ও নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাতের আঁধারে চালানো এই অতর্কিত ও ব্যাপক হামলায় চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে তেহরান। চারদিকে এখন কেবলই ধ্বংসযজ্ঞ ও যুদ্ধ আতঙ্ক।
সামরিক সূত্রগুলো থেকে জানা যায়, মার্কিন বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো একযোগে এই বিশাল সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। বিমানবাহী রণতরী থেকে উড্ডয়ন করা ফাইটার জেট, ড্রোন এবং দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটি, ড্রোন তৈরির কারখানা, রাডার স্টেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলার মাত্রা ও পরিধি এতটাই ব্যাপক ছিল যে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই আকস্মিক ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি, ফলে প্রাথমিক পর্যায়েই তারা অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ধারাবাহিক আক্রমণ এবং মিত্রদের স্বার্থে ক্রমাগত আঘাতের চরম জবাব হিসেবেই পেন্টাগন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যে চাপ তৈরি করা হচ্ছিল, এটি তারই একটি চূড়ান্ত ও কঠোর প্রতিশোধ।
এই অতর্কিত হামলার ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘসহ বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পরিস্থিতি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে একটি সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, যুদ্ধের ডামাডোলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে; বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে।
ইরান এখনো তাদের ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে চরম ও কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দুই দেশের এই মুখোমুখি অবস্থানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এখন এক থমথমে ও ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনা এবার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের অভ্যন্তরে ও তাদের প্রভাব বলয়ে থাকা প্রায় তিন হাজার সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় আকস্মিক ও নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাতের আঁধারে চালানো এই অতর্কিত ও ব্যাপক হামলায় চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে তেহরান। চারদিকে এখন কেবলই ধ্বংসযজ্ঞ ও যুদ্ধ আতঙ্ক।
সামরিক সূত্রগুলো থেকে জানা যায়, মার্কিন বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলো একযোগে এই বিশাল সামরিক অভিযান পরিচালনা করে। বিমানবাহী রণতরী থেকে উড্ডয়ন করা ফাইটার জেট, ড্রোন এবং দূরপাল্লার ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করে ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটি, ড্রোন তৈরির কারখানা, রাডার স্টেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রাগারগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলার মাত্রা ও পরিধি এতটাই ব্যাপক ছিল যে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই আকস্মিক ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি, ফলে প্রাথমিক পর্যায়েই তারা অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ধারাবাহিক আক্রমণ এবং মিত্রদের স্বার্থে ক্রমাগত আঘাতের চরম জবাব হিসেবেই পেন্টাগন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যে চাপ তৈরি করা হচ্ছিল, এটি তারই একটি চূড়ান্ত ও কঠোর প্রতিশোধ।
এই অতর্কিত হামলার ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। জাতিসংঘসহ বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পরিস্থিতি যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে একটি সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে, যুদ্ধের ডামাডোলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে; বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে।
ইরান এখনো তাদের ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে চরম ও কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দুই দেশের এই মুখোমুখি অবস্থানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এখন এক থমথমে ও ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন