নীলফামারীর সৈয়দপুরে সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ফজলুল হক নামের এক পুলিশ কনস্টেবল। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ভর্তি একটি মানিব্যাগ তিনি পরম যত্নে ফিরিয়ে দিয়েছেন এর প্রকৃত মালিককে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে সৈয়দপুর থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে মানিব্যাগটি ওই ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জানা যায়, আজ দুপুরে কনস্টেবল ফজলুল হক সৈয়দপুর থেকে নীলফামারীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঢেলাপীর বাজার এলাকায় তিনি রাস্তায় একটি মানিব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। মানিব্যাগটি খুলে তিনি দেখতে পান যে, ভেতরে নগদ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং বেশ কিছু অতিপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পরিচয়পত্র রয়েছে।
মানিব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ সদস্য ফজলুল হক দ্রুত প্রকৃত মালিকের পরিচয় শনাক্ত করেন। জানা যায়, মানিব্যাগটির মালিক আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্য ফজলুল হক ওই নম্বরে ফোন করে তাকে থানায় ডেকে আনেন। এরপর সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজার উপস্থিতিতে মানিব্যাগটি ওই ব্যবসায়ীর হাতে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
হারিয়ে যাওয়া মানিব্যাগ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র অপ্রত্যাশিতভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফেরত পেয়ে অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, "সমাজে যে এখনও এমন সৎ ও মানবিক মানুষ আছেন, তা সত্যিই আনন্দের। মানিব্যাগে টাকার চেয়েও আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস ছিল, যা হারালে আমাকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো। মহান আল্লাহর রহমতে একজন পুলিশ সদস্য এটি পেয়েছেন। তার এই সততায় আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।"
পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "মানিব্যাগে থাকা কাগজপত্র দিয়ে মালিকের পরিচয় নিশ্চিত করে তাকে থানায় ডেকে সবকিছু বুঝিয়ে দিয়েছি। মানুষের আমানত তার কাছে ফিরিয়ে দিতে পারাটা আমার দায়িত্ব।"
কনস্টেবল ফজলুল হকের এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা সহ স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষ। তারা বলছেন, এই ঘটনাটি কেবল একজন ব্যক্তির সততার প্রমাণ নয়, বরং এটি পুলিশ বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও সম্মানকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ফজলুল হক নামের এক পুলিশ কনস্টেবল। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া নগদ অর্থ ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ভর্তি একটি মানিব্যাগ তিনি পরম যত্নে ফিরিয়ে দিয়েছেন এর প্রকৃত মালিককে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে সৈয়দপুর থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে মানিব্যাগটি ওই ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়।
জানা যায়, আজ দুপুরে কনস্টেবল ফজলুল হক সৈয়দপুর থেকে নীলফামারীর দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঢেলাপীর বাজার এলাকায় তিনি রাস্তায় একটি মানিব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন। মানিব্যাগটি খুলে তিনি দেখতে পান যে, ভেতরে নগদ ১৯ হাজার ৫০০ টাকা এবং বেশ কিছু অতিপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও পরিচয়পত্র রয়েছে।
মানিব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এবং মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ সদস্য ফজলুল হক দ্রুত প্রকৃত মালিকের পরিচয় শনাক্ত করেন। জানা যায়, মানিব্যাগটির মালিক আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী। পরবর্তীতে পুলিশ সদস্য ফজলুল হক ওই নম্বরে ফোন করে তাকে থানায় ডেকে আনেন। এরপর সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজার উপস্থিতিতে মানিব্যাগটি ওই ব্যবসায়ীর হাতে সম্পূর্ণ অক্ষত অবস্থায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
হারিয়ে যাওয়া মানিব্যাগ ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র অপ্রত্যাশিতভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফেরত পেয়ে অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, "সমাজে যে এখনও এমন সৎ ও মানবিক মানুষ আছেন, তা সত্যিই আনন্দের। মানিব্যাগে টাকার চেয়েও আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস ছিল, যা হারালে আমাকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হতো। মহান আল্লাহর রহমতে একজন পুলিশ সদস্য এটি পেয়েছেন। তার এই সততায় আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।"
পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "মানিব্যাগে থাকা কাগজপত্র দিয়ে মালিকের পরিচয় নিশ্চিত করে তাকে থানায় ডেকে সবকিছু বুঝিয়ে দিয়েছি। মানুষের আমানত তার কাছে ফিরিয়ে দিতে পারাটা আমার দায়িত্ব।"
কনস্টেবল ফজলুল হকের এই মহতী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা সহ স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষ। তারা বলছেন, এই ঘটনাটি কেবল একজন ব্যক্তির সততার প্রমাণ নয়, বরং এটি পুলিশ বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও সম্মানকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন